ঢাকায় ফাগুন
বই-ঢাকায় ফাগুন
লেখক-হাসান ইনাম
ধরণ-প্যারাসাইকোলজিক্যাল উপন্যাস
পৃষ্ঠা-১৯২
রেটিং-৩.৫/৫
প্রকাশনা-বাতিঘর
ফাগুনের গুণে সেগুনবাগানে আগুন বেগুন পোড়ে,
ঠুনকো ঠাটের ঠাঠারিবাজারে ঠাঠা ঠেকিয়াছে ঠিক;
ঢাকার ঢেকিতে ঢাকের ঢেকুর ঢিক্কিরাতে ঢোঁড়ে,
সং বংশালে বংশের পালে বংশে বেধেঁছে শিক।
................
বুদ্ধদেব বসু আওড়াতে আওড়াতে রচনা করে ফেললেন এক রহস্যময়ী কবিতা।কবিতাটির বিষয়বস্তু হলো ঢাকা শহর! সেই কবিতার পঙক্তিই চিঠির পাতায় জায়গা করে নিল।আর সেই চিঠি একেবারে ঊনিশ শ' বিয়াল্লিশ থেকে হঠাৎ দুই হাজার বিশে চলে এলো।চিঠি এলো কালজয়ী গল্প লেখার স্বপ্নে বিভোর এক লেখক হাসান মাহফুজের দরজায়!
দরজার কড়া নাড়ল এক আগুন্তক।ভুল ঠিকানা নাকি ভুল সময়?রহস্যময় এই আগুন্তক কে!
এই রহস্য নিয়ে এক রহস্যময়ী প্লটে উপন্যাসের কাহিনী আগাতে লাগলো।পাঠক বইটি পড়ার মাধ্যমে আবিষ্কার করতে পারবে ঢাকার একেক সময়ের একেক ইতিহাসের অল্প কিছু বর্ণনা।কিন্ত,এই বর্ণনা পাঠক পাবে কিছুটা থ্রিলের মিশ্রণে!
ইতিহাসের সাথে রহস্যের মিশ্রণ থ্রিলার পাঠকদের কাছে হয়তো নতুন কিছু নয়।তাই যারা নিয়মিত থ্রিলার পাঠক তাদের কাছে উপন্যাসটি কিছুটা খাপছাড়া মনে হতে পারে।কারণ লেখক পাঠককে যেসকল ভ্রমণে নিয়ে গেছেন ইতিহাসের পাতায় সেকল জিনিস গুলো একেক সময় একেক সালে নিয়ে যাচ্ছিলো। যা একটু গোছানো হতে পারতো এবং গল্পের সাথে ইতিহাসটা এর আলোচনা আরেকটু গুছিয়ে আসতে পারতো আমার কাছে মনে হয়েছে। তবে বইটির প্রচ্ছদ ও নামকরণ এ বেশ আর্কষণ অনুভব করেছি।তবে উপন্যাসের শেষ অংশে এসে পাঠক হিসেবে আমার মনটা ভালোই হয়ে গিয়েছে!
Comments
Post a Comment